আবুল কালাম আজাদ ও শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

অনলাইন ডেস্ক: বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় জামালপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত। এছাড়াও স্বর্ণ চোরাচালান, ক্যাসিনো ব্যবসাসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপ-কমিশনার এসএম শিবলী নোমানেরও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুদকের পৃথক দুই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।
আবুল কালাম আজাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক মো. নাছরুল্লাহ হোসাইন আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মো. আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির একটি অভিযোগের অনুসন্ধান চলছে। অনুসন্ধান চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি যেন দেশ ছেড়ে বিদেশে পালাতে না পারেন, সে জন্য তাঁর বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা প্রয়োজন।
শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে মুখ্য সচিবের দায়িত্ব পালনকারী আবুল কালাম আজাদ অবসর নিয়ে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন। ছাত্র–গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ২০২৪ সালের ৫ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
পুলিশের সাবেক কর্মকর্তা শিবলী নোমানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. রুবেল হোসেন।
আবেদনে বলা হয়, শিবলী নোমানের বিরুদ্ধে সোনা চোরাচালান, ক্যাসিনো ব্যবসাসহ দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগটির অনুসন্ধান চলছে। যা দ্রুতই কমিশন বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
বিশ্বস্ত সূত্রে শিবলী নোমানের দেশে অবস্থানের কথা জানা গেছে জানিয়ে আবেদনে বলা হয়, তিনি অন্য দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনার স্বার্থে তার বিদেশ গমন রহিত করা একান্ত আবশ্যক।




