পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে: নজরুল ইসলাম

অনলা্ইন ডেস্ক: বিদেশে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল ইস্যুতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
গতকাল বুধবার (১৪ জুনয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান তিনি।
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পোস্টাল ভোটে প্রবাসীদের অধিকারের দাবি আমাদেরও ছিল। অনেক আসনে পোস্টাল ব্যালটের ভোট ৫-৭ হাজার। অনেক আসনে পোস্টাল ভোট নিয়ামক হতে পারে। কিন্তু প্রবাসীদের কাছে পাঠানো পোস্টাল ব্যালটে প্রথম লাইনে দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলি এবং হাতপাখা প্রতীক রয়েছে। কিন্তু বিএনপিরটা মাঝে, যা ভাঁজ পড়লে অস্পষ্ট হয়ে যাবে, ধানের শীষ দেখা যাবে না।’
এই ঘটনা ইচ্ছাকৃত দাবি করে তিনি বলেন, ‘ইসি অজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেছে, তারা বিষয়টি জানে না। তাদের দাবি, অক্ষরের ধারাবাহিকতায় এটি সাজানো হয়েছে। কিন্তু এটি অন্যভাবেও সাজানো যেতো। যারা দায়ি তাদের ব্যাপারে খোঁজ নিতে হবে।’
পোস্টাল ব্যালট সংশোধনোর দাবি জানিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘বাহরাইন ও ওমানে জামায়াত নেতার বাসায় থাকা পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। তবে ব্যবস্থা না নিলে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’
একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন জায়গায় দরিদ্র ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ফোন ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন নজরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘এর আগে কখনো আমরা এমন দেখিনি। আমাদের আশঙ্কা, তারা ভুয়া এনআইডি বানিয়ে জাল ভোট দেয়ার চেষ্টা করতে পারে। বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে অর্থ দিয়ে ভোট কিনতে প্রলুব্ধ করতে পারে। এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু ইসি ব্যবস্থা নেয়নি।’
এগুলো অনৈতিক, বেআইনি এবং সুষ্ঠ নির্বাচন হওয়ার অন্তরায় বলেও মন্তব্য করেন বিবএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।
নানা অজুহাতে বিএনপি প্রার্থীদের শোকজ করা হলেও সবার সঙ্গে নির্বাচন কমিশন একই আচরণ করছে না বলেও অভিযোগ তুলেন তিনি।
বিবএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উত্তরবঙ্গের সফর ইস্যুতে নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কোনো রাজনৈতিক সফর নয়, তারেক রহমান ব্যক্তিগত সফরে উত্তরবঙ্গে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইসির অনুরোধে সেই ব্যক্তিগত সফরও স্থগিত করা হয়েছে। বিএনপি ১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন চায়। যার ফলে পরিবেশ বজায় রাখতে আমরা সেই সফর স্থগিত করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্য, অন্য দলগুলোর নেতারা আচরণবিধি মানছেন না। ইসি সবার প্রতিই যাতে আইনানুগ আচরণ করে। ইসির নির্লিপ্ততা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশে বাধা সৃষ্টি করছে।’




