বিশ্বকাপের জন্য তিমির দেয়ালচিত্র নষ্ট করায় ফিফার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি ডলারের মামলা

অনলাইন ডেস্ক: ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে একটি তিমির দেয়ালচিত্র মুছে ফেলার অভিযোগে বৈশ্বিক ফুটবল সংস্থা ফিফার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন শিল্পী রবার্ট ওয়াইল্যান্ড। তিনি অন্তত আড়াই কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।

সোমবার ডালাস ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে দায়ের করা মামলায় ওয়াইল্যান্ড অভিযোগ করেন, বিশ্বকাপের আয়োজক কর্তৃপক্ষ, ভবনের মালিক এবং পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান তার অনুমতি ছাড়াই এবং পূর্বে কোনো ধরনের অবহিত না করেই দেয়ালচিত্রটির ওপর নতুন করে রং করেছে।

ডালাস শহরের কেন্দ্রস্থলের একটি ভবনের দুই পাশের দেয়ালজুড়ে প্রায় ১ হাজার ৫৮০ বর্গমিটার এলাকায় আঁকা ছিল সাঁতাররত একটি তিমির চিত্র। ১৯৯৯ সালে সম্পন্ন হওয়ার পর দুই দশকের বেশি সময় ধরে এটি অক্ষত ছিল। ২০২৬ বিশ্বকাপ উপলক্ষে দেয়ালটিতে নতুন রং করা হয়।

মামলায় ওয়াইল্যান্ড দাবি করেছেন, এ পদক্ষেপ ১৯৯০ সালের ‘ভিজ্যুয়াল আর্টিস্ট রাইটস অ্যাক্ট’ লঙ্ঘন করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ আইন ‘স্বীকৃত মর্যাদাসম্পন্ন’ শিল্পকর্মকে সুরক্ষা দেয়, এমনকি শিল্পকর্মটির ভৌত মালিকানা অন্য কারও কাছে থাকলেও। জনসাধারণের জন্য প্রদর্শিত শিল্পকর্ম ধ্বংস বা বিকৃতির হাত থেকে শিল্পীদের সুরক্ষা দিতে আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

মামলায় বলা হয়েছে, বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং অন্যান্য বিবাদীরা বিশ্বকাপের প্রচারণার উদ্দেশ্যে ‘তাড়াহুড়া করে এবং স্থায়ীভাবে একটি নাগরিক ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন ধ্বংস করেছে।’

বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ডালাসের স্থানীয় আয়োজক কমিটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ওয়াইল্যান্ডের কাজের জায়গায় নতুন একটি শিল্পকর্ম স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা ২০২৬ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত, উদ্দীপনা, একতা ও বৈশ্বিক চেতনাকে’ তুলে ধরবে। কমিটি আরও জানিয়েছে, আগের দেয়ালচিত্রের একটি অংশ সংরক্ষণ করা হবে।

এ বিষয়ে এপিকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ঘটনার সঙ্গে সংস্থাটির ‘কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই’।

যে ভবনের দেয়ালচিত্রটি মুছে ফেলা হয়েছে, সেটি পরিচালনা করে স্লেট অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানায়, স্থানীয় বিশ্বকাপ আয়োজকেরা মার্চ মাসে ‘নতুন একটি পাবলিক আর্ট ইনস্টলেশন’ স্থাপনের জন্য দেয়াল ব্যবহারের অনুরোধ করে। স্লেট জানিয়েছে, এ সিদ্ধান্তের জন্য তারা কোনো আর্থিক সুবিধা বা ক্ষতিপূরণ পায়নি এবং স্থানীয় আয়োজকেরা তাদের জানিয়েছিল যে বিষয়টি ওয়াইল্যান্ডকে অবহিত করা হয়েছে।

তবে শিল্পী তার মামলায় উল্লেখ করেছেন, এ বিষয়ে তাকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। মা

Related Articles

Back to top button