খেলাপি ঋণ প্রায় সাড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা

  • সরকার বৈশ্বিক অস্থিরতা, পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, বৈদেশিক লেনদেনের চাপ, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা ও অতীতের বিভিন্ন অনিয়মসহ নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে : সংসদে প্রশ্নোত্তরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
  • এমপিদের ঋণ ১১ হাজার কোটি টাকা
  • শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ, পাঁচটিই এস আলমের
  • সংকট সমাধানে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ
  • মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার
  • ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক অর্জন

অনলাইন ডেস্ক: দেশে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থিতিভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। আর বর্তমান সংসদ সদস্যদের কারো কারো ও তাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক এবং ফাইন্যান্স কোম্পানিতে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১১ হাজার ১১৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ৩ হাজার ৩৩০ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি হিসেবে দেখানো হয়নি।

গতকাল সোমবার সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আবুল হাসনাতের (হাসনাত আবদুল্লাহ) এক প্রশ্নের জবাবে সংসদকে এই তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

ফেনী-২ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিনের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় বৈশ্বিক অস্থিরতা, পণ্যমূল্য বৃদ্ধি, বৈদেশিক লেনদেনে চাপ, ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এবং অতীতের বিভিন্ন অনিয়মসহ নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও অর্থনীতিকে শক্তিশালী, স্থিতিশীল ও গতিশীল করতে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।

শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা

প্রকাশ, পাঁচটিই এস আলমের

হাসনাত আবদুল্লাহ তার প্রশ্নে জানতে চান, দেশে এই মুহূর্তে প্রকৃত খেলাপি ব্যাংকঋণের পরিমাণ কত, শীর্ষ ২০ খেলাপি কারা, খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে এবং সংসদ সদস্যদের ব্যাংকঋণ এবং খেলাপি ঋণের পরিমাণ কত।

জবাবে অর্থমন্ত্রী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেন। এর মধ্যে প্রথম চারটিসহ মোট পাঁচটি প্রতিষ্ঠান এস আলমের। দুটি সালমান এফ রহমানের বেক্সিমকো শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠান। অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তালিকা অনুযায়ী শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান হলো—এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লি., এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লি., এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লি., এস আলম কোল্ড রোলেড স্ট্রিলস লি., সোনালী ট্রেডার্স, বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লি., গ্লোবাল ট্রেডিং করপোরেশন লি.,  চেমন ইস্পাত লি., এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি প্রাইভেট লি., ইনফিনিট সিআর স্ট্রিপস ইন্ডাস্ট্রিজ লি., কেয়া কসমেটিকস লি., দেশবন্ধু সুগার মিলস লি., পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা কেরানীগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট লি., পাওয়ার প্যাক মুতিয়ারা জামালপুর পাওয়ার প্ল্যান্ট লি., প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লি., কর্ণফুলি ফুডস (প্রা.) লি., মুরাদ এন্টারপ্রাইজ, সিএলসি পাওয়ার কোম্পানি, বেক্সিমকো কমিউনিকেশনস লি. এবং রংধনু বিল্ডার্স (প্রা.) লিমিটেড। অথর্মন্ত্রী খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন ব্যবস্থার কথাও তুলে ধরেন। তবে, শীর্ষ ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানের নাম জানালেও ঋণের পরিমাণ জানাননি মন্ত্রী। 

সংকট সমাধানে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি ও

এলএনজি আমদানির উদ্যোগ

ফেনী-২ আসনের বিএনপি দলীয় এমপি জয়নাল আবদিনের এক প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে জানান, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে ‘বাজেট সাপোর্ট’ গ্রহণসহ নানা সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর ও বিশৃঙ্খল অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ নিয়েই বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সরকার ইতিমধ্যে একগুচ্ছ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

সংসদে অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অর্থনীতির ভিত মজবুত করতে গৃহীত প্রধান পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে—মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলা এবং জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তায় বিকল্প উৎস থেকে এলএনজি ও জ্বালানি আমদানির পাশাপাশি দেশে কৃষি উত্পাদন বাড়াতে ‘কৃষি বিমা’ প্রবর্তন। তিনি জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার এবং নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষায় কাজ করছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাংক খাতের অনিয়ম দূর করা, ঋণ আদায় জোরদার এবং আমানতকারীদের স্বার্থরক্ষায় বিশেষ সংস্কার কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট লাঘবে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা কার্যক্রম শক্তিশালী করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে মাসিক ২৫০০ টাকা করে ‘জিটুপি’ পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সব দরিদ্র পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করবে।

অন্যান্য পদক্ষেপের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান. কর ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করে রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং প্রবাস আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যবসার জটিলতা কমানো হচ্ছে। এছাড়া সরকারি অর্থব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আর্থিক ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। অর্থমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ও বৈশ্বি ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে কাজ করছে। লক্ষ্য হলো একটি সুশৃঙ্খল, জবাবদিহিমূলক এবং শক্তিশালী অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।

মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার 

ঢাকা-১৮ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক অর্জন করা। এলক্ষ্যে সরকার বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি,  স্পোর্টস অর্থনীতি ইত্যাদিকে বিবেচনায় নিয়ে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে।

অর্থমন্ত্রী জানান, জনগণের মাথাপিছু আয় বাড়ানোর জন্য সরকার শুধু একটি খাতে নয়; বরং কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ, উত্পাদন, রপ্তানি, প্রবাস আয়, দক্ষতা উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা সব দিক একসঙ্গে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি জানান,  মাথাপিছু আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে, যেগুলো মানুষের আয় বাড়াবে, বেকারত্ব কমাবে, উত্পাদন ও বিনিয়োগ বাড়াবে, প্রবাস আয় ও রপ্তানি শক্তিশালী করবে এবং একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখবে।

সরকারের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক অর্জন

এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদকে আরো জানান, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করা। দেশে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব কমাতে উত্পাদন, নির্মাণ, সেবা, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে কাজের সুযোগ বাড়ানো হচ্ছে। এতে পারিবারিক আয় বৃদ্ধি পাবে এবং ধীরে ধীরে মাথাপিছু আয়ও বাড়বে।  বেসরকারি বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসা শুরু ও সম্প্রসারণ সহজ করা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং উত্পাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে নতুন কারখানা, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আমির খসরু জানান, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তায় সহজ অর্থায়ন, নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের উৎসাহ প্রদান এবং বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে এবং নতুন আয়ের পথ তৈরি হবে।

ক্ষুদ্র কৃষকদের ঋণ মওকুফে ১,৫৬৭.৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ

বগুড়া-৪ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, ক্ষুদ্র কৃষকদের সহায়তায় সরকার কৃষিঋণ মওকুফ এবং স্বল্পসুদে ঋণসুবিধা অব্যাহত রাখার উদ্যোগ নিয়েছে। কৃষকদের সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার কোনো সিদ্ধান্ত সরকার নেয়নি। তবে, সুদসহ সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্র কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বাজেটে ইতিমধ্যে ১ হাজার ৫৬৭  কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে; যার ফলে সারা দেশের প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক উপকৃত হবেন।

মোবাইল ফাইন্যান্স ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে হ্যাকার-প্রতারণা রোধে সাত পদক্ষেপ

সরকারদলীয় এমপি এস এম জাহাঙ্গীরের আরেক প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদকে জানান, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে হ্যাকার ও প্রতারক চক্রের কারসাজি রোধে সরকার সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি জানান, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় ও সহজ পরিশোধ ব্যবস্থা হিসেবে দ্রুত বিস্তার লাভ করেছে। এই আধুনিক পদ্ধতি প্রযুক্তিগতভাবে নিরাপদ হলেও ব্যবহারগত কারণে বিভিন্ন ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। গ্রাহকদের পাসওয়ার্ড শেয়ার করা, ডিভাইস হ্যাকিং এবং প্রতারকদের নতুন নতুন কৌশলের কারণে মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে। সরকার এ বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেমের নিরাপত্তা জোরদার ও প্রতারণা প্রতিরোধে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

পুঁজিবাজার উন্নয়নে পরিকল্পনা

নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, দেশের পুঁজিবাজারকে উন্নত, প্রাণবন্ত ও গতিশীল করতে সরকারের একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে এটি দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের একটি শক্তিশালী উেস পরিণত হয়। তিনি বলেন, সরকার পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী ও টেকসই দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলক্ষ্যে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) নিরলসভাবে কাজ করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নে পুঁজিবাজারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বিবেচনায় নিয়ে সরকার তার নির্বাচনি ইশতেহারেও এ খাতের উন্নয়নে নির্দিষ্ট অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত করেছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

Related Articles

Back to top button