ফাইনালে সেঞ্চুরিতে রেকর্ডের চূড়ায় তামিম

অনলাইন ডেস্ক: মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে দর্শকসারিতে তখন উৎসবের আবহ। রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ব্যাটার তানজিদ হাসান তামিম ব্যাট উঁচিয়ে দর্শকদের অভিনন্দন গ্রহণ করছেন। ডিজিটাল বোর্ডে জ্বলজ্বল করছে তার তিন অঙ্কের ম্যাজিকাল ফিগার। সাত বছর পর বিপিএল ফাইনালে আবার এক তামিমের সেঞ্চুরি।
২০১৭ সালের ফাইনালে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ক্রিস গেইলের ৬৯ বলে অপরাজিত ১৪৬ রানের ইনিংস বিপিএল ইতিহাসে কিংবদন্তি হয়ে আছে। সেই ম্যাচে গেইলের ব্যাটে ছিল ৫ চার আর ১৮ ছক্কা। দুই বছর পর, ২০১৯ সালের ফাইনালে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে তামিম ইকবাল করেছিলেন ৬১ বলে অপরাজিত ১৪১ রান। তার ব্যাটে এসেছে ১১ ছক্কা ও ১০ চার। আর ২০২৬ সালে এসে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের হয়ে তানজিদ হাসান তামিম সেই তালিকায় যুক্ত করলেন নিজের নাম। চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে আসে ৬২ বলে ১০০ রান, যেখানে ছিল ৬টি চার ও ৭টি ছক্কা।
দীর্ঘদিন ধরেই বিপিএলে ধারাবাহিকতা খুঁজে ফিরছিলেন তানজিদ। মৌসুমের আগের ১২ ম্যাচে ফিফটি করেছিলেন মাত্র একবার। তবে ফাইনালের জন্য যেন জমিয়ে রেখেছিলেন নিজের সেরাটা। ২৯ বলেই ফিফটি ছুঁয়ে ফেলেন। সেই গতি কিছুটা কমলেও মনোযোগ হারাননি এক মুহূর্তও। ৫৪ রানে সহজ এক ক্যাচ ফেলে দেন প্রতিপক্ষ ফিল্ডার। আবার ৮৮ রানে জীবন পান একবার। অবশেষে ৬১ বলে শতরান পূর্ণ করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান তানজিদ। পরের বলেই আউট হয়ে ফিরে যান, কিন্তু ততক্ষণে বিপিএল ফাইনালের ইতিহাসে স্থায়ীভাবে তার নাম লেখা হয়ে গেছে। বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে এটি তার ব্যক্তিগত রেকর্ড তৃতীয় বিপিএল সেঞ্চুরি। এর আগে দুইটি করে সেঞ্চুরি করেছেন তামিম ইকবাল, নাজমুল হোসেন শান্ত ও তাওহিদ হৃদয়। বিদেশিদের মধ্যে এখনো শীর্ষে ক্রিস গেইল, যার বিপিএল সেঞ্চুরি ৫টি।





