চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল

রিট মামলায় পক্ষভুক্ত হতে তিন আবেদন
অনলাইন ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির নিকট হস্তান্তরের বৈধতার প্রশ্নে দায়েরকৃত রিট মামলায় পক্ষভুক্ত হতে তিনটি আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া চুক্তিসম্পর্কিত প্রক্রিয়ার উপর স্থিতাবস্থা চেয়ে আবেদন করেছে রিটকারী পক্ষ। বিচারপতি জাফর আহমেদের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন নথিভুক্ত করে পরবর্তী শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে দিয়েছেন। রিটকারী পক্ষের কৌঁসুলিরা এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলায় পক্ষভুক্ত হতে আবেদন করেছেন বার্থ অপারেটর এভারেস্ট পোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহাদাত হোসেন সেলিম, স্টুডেন্টস ফর সভারেন্টির পক্ষে প্রধান সমন্বয়ক জিয়াউল হক ও শ্রমিকনেতা তসলিম উদ্দিন।
দ্বিধাবিভক্ত রায়ের পর
দ্বিধাবিভক্ত রায়ের পর চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির নিকট হস্তান্তরের বৈধতার প্রশ্নে দায়েরকৃত রিট আবেদনের উপর গত ৫ জানুয়ারি হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়। রিটকারী পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম শুনানি শুরু করেন।
গত ৪ ডিসেম্বর রিট আবেদনের উপর বিভক্ত রায় দেয় হাইকোর্ট। বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফাতেমা নজীব চুক্তি-সম্পর্কিত প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করে রায়ে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি করার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার আইনি কর্তৃত্ব সরকারের নেই। এই উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট আইন ও নীতির লঙ্ঘন করে নেওয়া হয়েছে। ফলে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করা হলো। এই রায়ে দ্বিমত পোষণ করে কনিষ্ঠ বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার বলেন, রিট আবেদনটি অপরিপক্ক। কারণ চুক্তি নিয়ে সরকার এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এছাড়া রিট করার কোনো এক্তিয়ার আবেদনকারীর নেই। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের রাষ্ট্রের সমস্ত নির্বাহী কার্য পরিচালনার এক্তিয়ার রয়েছে। এ কারনে জারিকৃত রুলটি খারিজ করা হলো। বিভক্ত এ রায় দেওয়ার পর মামলার নথি প্রধান বিচারপতির দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য গত ১৮ ডিসেম্বর হাইকোর্টের তৃতীয় বেঞ্চের বিচারপতির কাছে পাঠান।




