রিক্রুটিং এজেন্সির জামানত কমালো প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়

অনলাইন ডেস্ক: বিদেশে কর্মী পাঠাতে রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্সের ক্ষেত্রে আগে ৫০ লাখ টাকা জামানত হিসেবে পে-অর্ডার দিতে হতো। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জামানতের হার কমিয়েছে। এখন থেকে ৩৫ লাখ টাকা জামানতও পে অর্ডারের মাধ্যমে হিসাবে দিতে হবে। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (রিক্রুটিং এজেন্ট লাইসেন্স এবং সাব-এজেন্ট নিবন্ধন ও আচরণ) বিধিমালা, ২০২৫ সংশোধন করে জামানতের অর্থ কমানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।
এছাড়া বিধিমালায়, এক রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে আরেক রিক্রুটিং এজেন্সি যুক্ত হয়ে কর্মী পাঠালে তাকে ‘অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটার’ হিসেবে অভিহিত করা হবে। এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে— এমন নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্ট, যিনি অন্য একটি নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্টের সঙ্গে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে যুক্ত হয়ে ওই এজেন্টের মাধ্যমে বিদেশগামী কর্মীদের নিয়োগ ও সংশ্লিষ্ট রিক্রুটমেন্ট প্রক্রিয়া সম্পাদন করেন।
এক্ষেত্রে কোনও রিক্রুটিং এজেন্ট অপর কোনও রিক্রুটিং এজেন্টকে কর্মী পাঠানোর কাজ প্রক্রিয়াকরণের জন্য অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটার হিসেবে নিয়োগ করতে পারবেন। অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটারের সঙ্গে বিদেশগামী কর্মীদের চুক্তি থাকতে হবে এবং যদি কোনও রিক্রুটিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটার হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন— তাহলে জনশক্তি রফতানি ও প্রক্রিয়া সম্পাদনের নিজ নিজ অংশের ক্রেডিট ও দায়-দায়িত্ব মূল এজেন্টের অনুরূপ অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটারের ওপরেও বর্তাবে।
এছাড়া লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে অ্যাসোসিয়েট রিক্রুটার যত সংখ্যক কর্মী প্রক্রিয়াকরণ করবেন, তা তার ক্রেডিট হিসেবে গণ্য হবে এবং মূল এজেন্ট নিজ উদ্যোগে যত সংখ্যক কর্মী পাঠাবেন, তা তার ক্রেডিট হিসেবে গণ্য হবে।




