বরিশালে স্থগিত ১০ প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক: বরিশালে যাচাই-বাছাইয়ে স্থগিত রাখা ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন। পাশাপাশি পূর্বে অবৈধ ঘোষিত জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে এসব সিদ্ধান্তের ফলে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ জনে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার তথ্যমতে, বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খানের আয়কর সংক্রান্ত জটিলতার কারণে মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়েছিল। পুনরায় যাচাই-বাছাই শেষে রবিবার তা বৈধ ঘোষণা করা হয়।
বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে শনিবার চারজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছিল। রবিবার পুনরায় যাচাই-বাছাই শেষে চারজনেরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। তারা হলেন— জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মান্নান, জাতীয় পার্টির এম. এ. জলিল, বিএনপির সরদার শরফুদ্দিন আহমেদ এবং এনপিপির সাহেব আলী। এদের মধ্যে আয়কর জটিলতায় পড়া বিএনপি প্রার্থী সরদার শরফুদ্দিন আহমেদকে ঘিরে ছিল বেশি আলোচনা।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে জাতীয় পার্টির দুই অংশের তিন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রথমে স্থগিত ও অবৈধ ঘোষণা করা হলেও রবিবার তা বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে আসনটিতে জাতীয় পার্টির জন্য চমকপ্রদ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— জিএম কাদের অংশের গোলাম কিবরিয়া টিপু, ইকবাল হোসেন এবং অপর অংশের ফখরুল আহসান। উল্লেখ্য, গোলাম কিবরিয়া টিপু বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। একই সঙ্গে বাসদ মনোনীত প্রার্থী আজিমুল হাসান জিহাদের মনোনয়নপত্রও বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে আলোচিত প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তীর স্থগিত থাকা মনোনয়নপত্রও রবিবার বৈধ ঘোষণা করা হয়।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মুসলিম লীগের প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস এবং জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবীর মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হলেও রবিবার পুনরায় যাচাই শেষে দু’জনের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।




