ভোলায় বিজেপির কার্যালয় লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ-ভাঙচুর, পুলিশের ফাঁকা গুলি

অনলাইন ডেস্ক: ভোলায় ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) কার্যালয় লক্ষ্য করে ককটেল বিস্ফোরণ ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সর্বশেষ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ।
গতকাল সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে ভোলা শহরের নতুন বাজার জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলা বিএনপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের সহস্রাধিক নেতাকর্মী বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জেলা কার্যালয় থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাংলা স্কুল মোড়, কালীবাড়ির চত্বর হয়ে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের দিকে ফেরার সময় হঠাৎ বিজেপি অফিসের কাছে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে মিছিলকারীদের একটি অংশ উত্তেজিত হয়ে নতুন বাজারে জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে গিয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়ে মিছিলকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত বিজেপি কার্যালয়ে ঢুকে আসবাবপত্র ও টেলিভিশন ভাঙচুর করে এবং অফিসে তালা লাগিয়ে চত্বরে বিক্ষোভ করে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মোতাছিম বিল্লা অভিযোগ করে বলেন, দুপুরে আমাদের অফিস বন্ধ ছিল। বিকেলে বিএনপির মিছিল চলাকালে একদল সন্ত্রাসী অফিসে হামলা চালিয়ে তালা ভেঙে ভেতরে ঢুকে আসবাবপত্র ও টিভি ভাঙচুর করে। এমনকি অফিসে থাকা নির্বাচনী লিফলেট রাস্তায় ছুড়ে ফেলে ময়লা নিক্ষেপ করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক এনামুল হক বলেন, ছাত্রদল নেতা সিফাত হত্যার বিচারের দাবিতে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করেছি। বিজেপি অফিস ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
ওসি মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং একদল লোক বিজেপি কার্যালয়ে ভাঙচুরের চেষ্টা করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছোড়ে।




