রাগে ফেটে পড়ে নেইমার বললেন, ‘যথেষ্ট মিথ্যাচার হয়েছে’

অনলাইন ডেস্ক: বিতর্ক কিছুতেই নেইমারের পিছু ছাড়ছে না। অনুশীলন ছেড়ে পোকার টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়ার কারণে বেশ সমালোচিত হয়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। এরপর সান্তোসের হয়ে শাপোকোয়েন্সের বিপক্ষে জোড়া গোল করে মাঠেই সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন তাঁস-বাটার মতো উদযাপন করে। কিন্তু এই ম্যাচেও ড্রেসিংরুমে তার কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যমের খবর, ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচের হাফটাইমে ড্রেসিংরুমে তরুণ খেলোয়াড়দের তিরস্কার করেছেন নেইমার। তাদের এই দাবিকে ‘বিদ্বেষপূর্ণ মিথ্যা’ আখ্যা দিয়ে এই ব্রাজিলিয়ান মহাতারকা বলেছেন, তিনি কোনো এক বা দুজন খেলোয়াড় নয়, পুরো দলকে উদ্দেশ্য করে তিরস্কার করেছেন।

ব্রাজিলিয়ান সংবাদপত্র ‘গ্লোবো এস্পোর্তে’-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথমার্ধ শেষে নেইমার তার চেয়ে ছোট দুই সতীর্থের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। নেইমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি গ্যাব্রিয়েল বোন্তেম্পোকে ‘বোকা’ বলেছেন। পরের মৌসুম থেকে ব্রাজিলিয়ান লিগ টেবিলের নিচে থাকা শাপেকোয়েন্সের হয়ে খেলতে বলেন তাকে।

নেইমারের রোষের মুখে পড়েছেন জোয়াও আনানিয়াস। ৬২তম মিনিটে আত্মঘাতী গোল করা এই মিডফিল্ডারের কৌশলগত সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। নেইমারের এমন আচরণ খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও পরিচালক বোর্ডের সদস্যদের অসন্তুষ্ট করেছে।

এসব অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছেন নেইমার। ইনস্টাগ্রামে কটি ভিডিও ক্লিপ দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ড্রেসিংরুমে তরুণ খেলোয়াড়দের আমি তিরস্কার করেছি, আমাকে নিয়ে এমন একটা গুঞ্জন আমার কানে এসেছে। এটা একদম সত্যি নয়। যারা এসব পোস্ট করেছেন আমি তাদের না করতে বলবো, মিথ্যা বলবেন না।’

নেইমার আরও বলেন, ‘ড্রেসিংরুমে আপনি যে কাউকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এটা ছিল দলকে তিরস্কার। আমি কথা বলেছিলাম, লুকাস, আরাও, গাবি ও ব্রাজাও কথা বলেছে, সবাই। অবশ্যই তিরস্কার করা হয়েছে, কারণ আমরা প্রতিযোগী যারা জিততে চায়। কিন্তু কোনো তরুণ খেলোয়াড়কে তিরস্কার করা হয়নি।’

এসব মিথ্যাচারে কড়া সমালোচনা করে নেইমার বলেন, ‘যথেষ্ট মিথ্যাচার হয়েছে। এখন থেকে আমি ইন্টারনেটে আপনাদের ছড়ানো এসব মিথ্যা মেনে নেব না। ড্রেসিংরুমে তিরস্কার, যেই করুক না কেন, এটা স্বাভাবিক। যারা এসব বিদ্বেষপূর্ণ ও মিথ্যা প্রতিবেদন ছড়ায়, তারা কিছুই বোঝে না। তারা জানে না ফুটবল কী এবং কখনো একটি দলের অংশ ছিল না।’

Related Articles

Back to top button