কর্মস্থল ছেড়ে তদবিরের জন্য মন্ত্রণালয়ে না যেতে আইজিপির নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক: অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তদবির করার অভিযোগ উঠেছে কিছু পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন এবং এতে পুলিশের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি দৈনন্দিন সরকারি কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তাই অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে তদবির না করতে পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
এ পরিস্থিতিতে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে কোনো ধরনের তদবির না করার জন্য পুলিশ সদস্যদের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
আইজিপির স্বাক্ষরে গতকাল সোমবার (৯ মার্চ) পুলিশ সদর দপ্তরের জারি করা ওই নির্দেশনায় বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত কিছু সদস্য অফিস চলাকালে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে তদবির করছেন। বিষয়টি সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে।
জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, ‘এ ধরনের তদবিরের কারণে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিব্রত হচ্ছেন। এতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি দৈনন্দিন সরকারি কাজও ব্যাহত হচ্ছে। এ কারণে এমন কার্যকলাপ নিরুৎসাহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি স্মারক এবং পুলিশ সদর দপ্তরের আগের একটি নির্দেশনার মাধ্যমে বিষয়টি ইতিমধ্যে সব ইউনিটকে ও সব কটি জেলার পুলিশ সুপারকে জানানো হয়েছিল; কিন্তু একই ঘটনা আবারও ঘটছে বলে লক্ষ করা গেছে। সে জন্য আবারও এই নির্দেশনা দেওয়া হলো।’
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কোনো পুলিশ সদস্য কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। পাশাপাশি পদোন্নতি বা অন্য কোনো বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় তদবির করা থেকেও বিরত থাকার জন্য পুলিশ সদস্যদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন গণমাধ্যমকে বলেন, অফিস চলাকালে অনুমতি ছাড়া নিজ অফিস ছেড়ে কোনো সরকারি মন্ত্রণালয় বা গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে অবস্থান করা প্রশাসনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্যই এই চিঠি ইস্যু করা হয়েছে।



