পলকের প্রিজনভ্যানে ডিম নিক্ষেপ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের

অনলাইন ডেস্ক: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার শুনানিতে এসে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে বহনকারী প্রিজনভ্যানে ডিম নিক্ষেপ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। গতকাল সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ‘লীগ ধর, জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

এর আগে,  গত ২৪ ডিসেম্বর জুলাই আন্দোলনে রাজধানীর মধ্য বাড্ডার ইউলুপ এলাকায় দুর্জয় আহম্মেদ হত্যাচেষ্টা মামলায় পলককে গ্রেপ্তার দেখাতে আবেদন করেন বাড্ডা থানার এসআই গোলাম কিবরিয়া খান। ৭ জানুয়ারি তার উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন রেখেছিলেন আদালত। তবে ওইদিন পলককে আদালতে হাজির করা হয়নি। এজন্য আজ ০নতুন দিন ঠিক করা হয়েছিল।

এদিন শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুর রহমান শুনানি নিয়ে পলককে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

https://2cc701667d43c79f36f365fc87156930.safeframe.googlesyndication.com/safeframe/1-0-45/html/container.html

অন্যদিকে একই দিন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে হাদি হত্যা মামলার চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। মামলার বাদী ও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের আদালতে উপস্থিত হন। বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগপত্র পর্যালোচনার জন্য আদালত দুই দিনের সময় দেন।

শুনানি শেষে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হওয়ার সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন। এদিন দুপুর দেড়টার দিকে পলককে বহনকারী একটি প্রিজনভ্যান সিএমএম আদালতের হাজতখানা থেকে কাশিমপুর কারাগারের উদ্দেশে বের হলে আদালতের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা ডিম নিক্ষেপ করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে প্রিজনভ্যানটি কাশিমপুরের দিকে চলে যায়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় গত ২০ জুলাই বাড্ডা থানার মধ্য বাড্ডা ইউলুপের নিচে পোস্ট অফিস গলির মাথায় অবস্থানকালে দুর্জয় আহম্মেদের ওপর গুলি করা হয়। এতে তার দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায় এবং মাথার পেছনে গুরুতর আঘাত পান। তিনি একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

এ ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন দুর্জয় আহম্মেদ।

Related Articles

Back to top button