দশমিনায় দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসায় ৭ চিকিৎসক

অনলাইন ডেস্ক: ৫০ শয্যাবিশিষ্ট পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের মধ্য দিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা। এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ৭ জন চিকিৎসক রয়েছেন। আর চিকিৎসকদের মধ্যে একজন থাকেন বিভিন্ন প্রশিক্ষণে। স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা নানান সময়ে উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করায় ৫ জন চিকিৎসক উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৪০২ জন লোকের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। যদিও বাস্তবে জনসংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। ২৭ জন চিকিৎসকের বিপরীতে ৭ জন চিকিৎসক বিপুলসংখ্যক জনগণকে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।
দরিদ্র উপজেলার একমাত্র সরকারি হাসপাতালটিতে বর্তমানে ২০ জন চিকিৎসক, ১ জন দ্বিতীয় শ্রেণির, ৩৫ জন তৃতীয় শ্রেণির, ১৫ জন চতুর্থ শ্রেণির ও ১ জন সিএইচসিপির পদ শূন্য রয়েছে। ২০ শূন্য চিকিৎসকের তালিকায় সার্জন ও অ্যানেসথেসিয়ার পদ থাকায় হাসপাতালটিতে সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও যন্ত্রপাতি থাকার পরও চিকিৎসক না থাকায় সেবাও বন্ধ।
দশমিনা হাসপাতাল ২০১৮ সালে মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রসূতি সেবায় জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও নিরাপদ প্রসবে জেলার মধ্যে দশমিনা হাসপাতাল অনেকবার প্রথম হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র বলছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দশমিনা হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে ৪৫০ জনের। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে বহিঃবিভাগে সাড়ে তিন শতাধিক ও আন্ত:বিভাগে ৯০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, দশমিনা ছোট উপজেলা। জেলা ও বিভাগের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় দশমিনা হাসপাতালে সেবাগ্রহীতার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। সর্বোচ্চ আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও সীমিত জনবলের কারণে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়াটা কঠিন হয়ে যায়।




