ফতুল্লায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ, আহত ৩

অনলাইন ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হয়েছেন। হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের সাবেক নেতা আতা-ই-রাব্বির বাবা শাহাদাত হোসেনকে দায়ী করেছেন ভুক্তভোগীরা।
গতকাল বুধবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে ফতুল্লার গিরিধারা বউবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেনকে (৬০) আটক করেছে। তিনি নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি আতা-ই-রাব্বির বাবা।
আহতরা হলেন, জাগো নিউজের সাংবাদিক মো. আকাশ, ক্যামেরাপার্সন আবদুল্লাহ আল মামুন ও আয়াজ।
সাংবাদিক মো. আকাশ জানান, গিরিধারা বউবাজার এলাকাতে এক নারীর অভিযোগ ছিল তাদের জমি দখল করে রেখেছে বিএনপির নামধারী নেতা শাহাদাত ও তার ছেলে রাব্বি। ওই নারী ফতুল্লা থানায় একাধিকবার জিডি করেছেন। বিষয়টি জানতে তারা তিনজন বুধবার বিকেল ৪টায় ঘটনাস্থলে যান। তাদের যাওয়ার খবর পেয়ে শাহাদাত লোকজন নিয়ে এসে অতর্কিত হামলা করে। এসময় ক্যামেরাপার্সন আবদুল্লাহ আল মামুন ও আয়াজকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। এক পর্যায়ে তাদের টেনে হেঁচড়ে একটি রুমে আটকে লাঠিসোটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে সঙ্গে থাকা ক্যামেরা-মোবাইল ভেঙে ফেলে।
খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে তিনজনকে উদ্ধার করে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ে আতা-ই-রাব্বির সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভি করেননি। এতে তার বক্তব্য জানা যায়নি।
ফতুল্লা থানার বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, রাব্বি ছাত্রদলের পদে ছিলেন কিন্তু সে বর্তমানে কোনো পদে নেই। নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদলের কোনো কমিটি নেই। তাছাড়া তার বাবা শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেউ যদি বিএনপির পরিচয় দেয়; সেটা তো সত্য নয়।
ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় শাহাদাতকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত পূর্বক এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




