বগুড়ায় হাজতখানায় আসামির ঝুলন্ত মরদেহ, ডিবি পুলিশ বলছে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক: বগুড়ায় চালককে হত্যা করে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আটক আসাদুজ্জামান আসাদ (২৫) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে বগুড়া শহরের রেলস্টেশন এলাকা থেকে তাকে আটক করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
আসাদুজ্জামান বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা মধ্য উত্তরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
ডিবি পুলিশের দাবি, হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আটক আসাদুজ্জামানকে ডিবি কার্যালয়ের হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। রোববার তাকে আদালতে হাজির করার কথা ছিল। তিনি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শৌচাগারে যান। তবে দীর্ঘ সময় পরেও বের না হওয়ায় হাজতখানায় থাকা অন্য এক আসামি বিষয়টি কর্তব্যরতদের জানান। এরপর পরপরই বাথরুমের ভেতরে গিয়ে তাকে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে লুঙ্গি বাঁধা ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রাশেদুল ইসলাম রনি জানান, আসাদুজ্জামানকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বগুড়া ডিবির পরিদর্শক ইকবাল বাহার বলেন, ১ জুলাই বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া বউবাজার এলাকা থেকে যাত্রীবেশী ছিনতাইকারীরা সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠে চালককে হত্যা করে অটোরিকশাটি ছিনতাই করেন। এ ঘটনায় সারিয়াকান্দি থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। মামলার তদন্তে হত্যাকাণ্ডে আসাদুজ্জামান নামের ওই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় শনিবার বগুড়া শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান জানান, হাজতখানার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, আসামি আসাদুজ্জামান আত্মহত্যা করেছেন। তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে সুরতহাল করা হবে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।




