২২ লাখ কোরবানির পশু উদ্বৃত্ত, বিজিবিকে সীমান্তে নজরদারির নির্দেশ: প্রতিমন্ত্রী টুকু

অনলাইন ডেস্ক: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় দেশে কোরবানির পশুর চাহিদা ১ কোটি ২ লাখ হলেও কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ১ কোটি ২৩ লাখ। অতিরিক্ত ২২ লাখ কোরবানির পশু রয়েছে। তাই কোরবানির জন্য পশু আমদানির কোনো সম্ভাবনা নেই।

গতকাল শনিবার (৯ মে) নাটোরের গুরুদাসপুরে মৎস্যচাষি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে বিকেলে নাটোর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরা কোরবানিকে কেন্দ্র করে পশুপালন করে থাকেন। এই অবস্থায় পশু আমদানি করলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই পশু আমদানির পরিকল্পনা সরকারের নেই; বরং সীমান্তে নজরদারি এড়িয়ে প্রতিবেশী দেশ থেকে কোরবানির পশু যাতে এ দেশে ঢুকতে না পারে, সে জন্য বিজিবিকে ইতিমধ্যে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরে মৎস্যচাষি সম্মেলনে যোগ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ বিল এলাকা নাটোরের চলনবিলে নানা বৈচিত্র্যের মাছ পাওয়া যায়। এ ছাড়া নাটোরে মাছ চাষও অনেক বেশি হয়। এতে সম্ভাবনাময় বাজারও তৈরি হয়েছে। সংরক্ষণের অভাবে মাছ যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য এখানে ‘ফিস প্রসেসিং সেন্টার’ ও ‘মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র’ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পূর্ণাঙ্গ প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে চলনবিলের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের সরকারি দলের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৪ (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম আফতাব, মোস্তাফিজুর রহমান শাহীনসহ অন্য নেতা-কর্মীরা।

Related Articles

Back to top button