বায়ার্নকে হতাশ করে আবারও ফাইনালে পিএসজি

অনলাইন ডেস্ক: প্যারিসে প্রথম লেগটা উপহার দিয়েছিল গোল-উৎসবের এক ম্যাচ। ৫-৪ ব্যবধানে সেই ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়েছিল পিএসজি। মিউনিখে চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের ফিরতি লেগটায় অবশ্য জিতল না কোনো দলই, ১-১ সমতায় শেষ হলো ম্যাচ। তাতে শেষ পর্যন্ত কপাল পুড়লো বায়ার্নেরই।

দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ গোলে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিল ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। শেষ মুহূর্তে হ্যারি কেইনের গোল বায়ার্ন মিউনিখকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের টিকিট গেছে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) হাতেই।

আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় শিরোপার লড়াইয়ে পিএসজির মুখোমুখি হবে ২০ বছর পর ফাইনালে ওঠা আর্সেনাল।

ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় পিএসজি। বায়ার্নের আক্রমণ ঠেকিয়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে ওঠে তারা। খভিচা কাভারাটস্কেলিয়ার নিচু ক্রস থেকে দৌড়ে এসে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান উসমান ডেম্বেলে। ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফরোয়ার্ড চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পেলেন নিজের অষ্টম গোল।

২৭ মিনিটে মাইকেল ওলিসের বাম পায়ের দৃষ্টিনন্দন শট অল্পের জন্য বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। প্রথমার্ধের শেষ দিকে জামাল মুসিয়ালার কাটব্যাক থেকেও গোল পায়নি বায়ার্ন। পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভ ঝাঁপিয়ে পড়ে বিপদ সামাল দেন।

বিরতির পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে বায়ার্ন। ৬২ মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে যোসিপ স্তানিসিচের নেওয়া নিচু শট সহজেই ধরে ফেলেন সাফোনভ। পরে পিএসজির আরও কয়েকটি আক্রমণও ঠেকিয়ে দেন রুশ গোলরক্ষক।

তবে ম্যাচের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে সমতায় ফেরে বায়ার্ন। আলফন্সো ডেভিসের পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের দারুণ শটে বল জালে পাঠান হ্যারি কেইন।

তবে শেষ পর্যন্ত সেই গোলও বায়ার্নকে বাঁচাতে পারেনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ওঠার আনন্দে মেতে ওঠে পিএসজি ফুটবলাররা।

Related Articles

Back to top button