ডিসি সম্মেলন শুরু আজ, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকায় চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন শুরু হচ্ছে আজ। 

রোববার (৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এরপর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনায় অংশ নেবেন বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিরা।

এবারের সম্মেলনে উঠছে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের ৪৯৮টি প্রস্তাব।

সম্মেলনে সারা দেশের সব জেলা প্রশাসক উপস্থিত থাকবেন।

৫৬টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীরা সম্মেলনে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের ওপর জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলন নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এবারের সম্মেলনের বিশেষত্ব হচ্ছে, এবার চার দিনব্যাপী এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গতবার সম্মেলনটি ছিল তিন দিনের এবার এক দিন যোগ হয়েছে।’

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘সম্মেলন চলাকালে কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকরা রাষ্ট্রপতি, স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।’

তিনি জানান, এবারের জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মোট অধিবেশন হবে ৩৪টি। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন হবে ৩০টি এবং অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সংখ্যা হচ্ছে ৫৬টি।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মাঠ প্রশাসন থেকে এবার ১ হাজার ৭২৯টি প্রস্তাব পেয়েছি। এর মধ্যে কার্যপত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ৪৯৮টি।

সবচেয়ে বেশি প্রস্তাব এসেছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সম্পর্কিত। এই বিভাগের জন্য ৪৪টি প্রস্তাব এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘এবারের সম্মেলনের প্রধান আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে ভূমি ব্যবস্থাপনা, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা, ই-গভর্নেন্স, শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিবীক্ষণ।’

অতিরিক্ত সচিব বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই বলেছি, এই সম্মেলন চলাকালে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ আজ ৩ মে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়, স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ৪ মে সন্ধ্যা ৭টায় এবং বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ৫ মে বিকেল ৪টায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আমরা আশা করছি মাঠ প্রশাসনের আইনগত প্রশাসনিক এবং আর্থিক চ্যালেঞ্জ সমাধানের করণীয় নির্ধারণ করা যাবে। জেলা পর্যায়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানো সহজ হবে। জনসেবা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে।’

Related Articles

Back to top button