ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা নিয়োগে ‘খুশি নন’ ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনির স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সংবাদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে ফক্স নিউজ। 

সোমবার (৯ মার্চ) ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে সঞ্চালক ব্রায়ান কিলমেড এই তথ্য নিশ্চিত করেন। কিলমেড জানান যে, ইরানের এই গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের ঘোষণার পর তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেই আলাপচারিতায় ট্রাম্প সরাসরি তাকে বলেছেন, তিনি এই নিয়োগে ‘একেবারেই খুশি নন’।

যদিও ফক্স নিউজের ওই সঞ্চালক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হওয়া কথোপকথনের বিস্তারিত আর কোনো তথ্য প্রদান করেননি, তবে ট্রাম্পের এই সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে তার ভবিষ্যৎ নীতির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে ইরান আরও কঠোর অবস্থান নিতে পারে—এমন আশঙ্কাই হয়তো ট্রাম্পের এই অসন্তোষের মূল কারণ। এখন পর্যন্ত এই নিয়োগের বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো আনুষ্ঠানিক কিংবা জনসমক্ষে বিবৃতি দেননি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, ইরানের নতুন নেতৃত্বের অধীনে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও জটিল ও সংঘাতপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে মোজতবা খামেনি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর ঘটনায় হোয়াইট হাউস অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। 

ট্রাম্পের এই ‘অখুশি’ হওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত দিচ্ছে, ইরানের নতুন শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ আরও বৃদ্ধি করতে পারে।

বর্তমানে ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই নেতৃত্বের বদল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। ফক্স নিউজের এই প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর কূটনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। 

বিশ্বনেতারা এখন ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছেন, কারণ তার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ প্রায়শই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র নীতিতে বড় প্রভাব ফেলে। ইরানের এই নতুন অধ্যায়ে ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কেবল ব্যক্তিগত অসন্তোষ নাকি বড় কোনো সামরিক কৌশলের অংশ, তা সময়ই বলে দেবে।

সূত্র: বিবিসি লাইভ

Related Articles

Back to top button