‘অসহনীয় চাঁদাবাজি’ ব্যবসা ও বিনিয়োগে আস্থাহীনতা তৈরি করছে: ডিসিসিআই

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ মনে করছেন, অসহনীয় চাঁদাবাজি স্থানীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনায় আস্থাহীনতা তৈরি করেছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নবগঠিত সরকারের কাছে ডিসিসিআই’র প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তাসকীন আহমেদ বলেন, ‘শিল্প বিষয়ক নীতিমালার ধারাবাহিকতার অভাব এবং ভঙ্গুর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ করে অসহনীয় চাঁদাবাজির বিষয়টি স্থানীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচালনায় আস্থাহীনতা তৈরি করেছে।’
তিনি নবগঠিত সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানান।
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে আর্থিক খাত, জ্বালানি, শিল্পায়ন, শুল্কায়ন, লজিস্টিক অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, এলডিসি উত্তরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষর প্রভৃতি বিষয়ে আলোকপাত করেন।
তিনি বলেন, ‘দেশের সামগ্রিক রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অটোমেটেড না হওয়ায় রাজস্ব প্রদানে ব্যক্তিশ্রেণির পাশাপাশি ব্যবসায়ীরা অনেকক্ষেত্রেই অহেতুক হয়রানির শিকার হচ্ছে, অনেকেই করজালের বাইরে থাকায় সরকার রাজস্ব প্রাপ্তি হতে বঞ্চিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব আহরণের গতি শ্লথ হচ্ছে। দেশের লজিস্টিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি, জমি অধিগ্রহণের দীর্ঘসূত্রিতা ও জমির উচ্চমূল্য, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিভিন্ন সেবার হার গড়ে ৪১ শতাংশ বাড়ানো, অভ্যন্তরীণ নদীপথের কার্যকর ব্যবহার না থাকার কারণে ব্যবসা পরিচালন ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে পণ্য উৎপাদন ও বিতরণ ব্যয় বাড়ছে, যেটি মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে।’




