ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক: পাবনার ঈশ্বরদীতে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনিক (২২) নামে এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অনিক একই গ্রামের মহিদুল ইসলাম রানার ছেলে। তিনি ঢাকার আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকা মহানগর খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের একটি ওয়ার্ডের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পড়াশোনার কারণে অনিক দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করলেও সম্প্রতি তিনি নিজ গ্রামের পার্শ্ববর্তী রুহুল ড্রাইভারের বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ধরে তার কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি ঈশ্বরদী থানায় অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অনিকের লাশ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাশ উদ্ধারের সময় দেখা যায়—অনিকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেলেও তার ডান পা খাটের ওপর এবং বাম পা মেঝেতে স্পর্শ করছিল। এছাড়া কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। মরদেহের অবস্থান ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পাবনার ঈশ্বরদীতে ঝুলন্ত অবস্থায় ফসিউল আলম অনিক (২২) নামে এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের দিয়াড় সাহাপুর গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অনিক একই গ্রামের মহিদুল ইসলাম রানার ছেলে। তিনি ঢাকার আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ঢাকা মহানগর খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের একটি ওয়ার্ডের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পড়াশোনার কারণে অনিক দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করলেও সম্প্রতি তিনি নিজ গ্রামের পার্শ্ববর্তী রুহুল ড্রাইভারের বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় দীর্ঘ সময় ধরে তার কক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়রা বিষয়টি ঈশ্বরদী থানায় অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজা ভেঙে কক্ষের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অনিকের লাশ উদ্ধার করে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাশ উদ্ধারের সময় দেখা যায়—অনিকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেলেও তার ডান পা খাটের ওপর এবং বাম পা মেঝেতে স্পর্শ করছিল। এছাড়া কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। মরদেহের অবস্থান ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




