সুরে সুরে দুই বাংলার সেতুবন্ধন

অনলাইন ডেস্ক: ভারতীয় সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তি উষা উত্থপ এবার কণ্ঠ দিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কবি, গীতিকার ও বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীল ব্যক্তিত্ব ড. সাবরিনা রুবিনের লেখা গানে। গানটি প্রকাশের পর থেকেই দুই দেশের শিল্প-সংস্কৃতির এই অনন্য মেলবন্ধন সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সমসাময়িক বাংলা সংগীতাঙ্গনে এটিকে এক যুগোপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। গানটির কথা লিখেছেন ড. সাবরিনা রুবিন। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন দেব গৌতম।

প্রকাশের পর থেকেই গানটি বাংলাদেশ ও ভারতের অগণিত শ্রোতার হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। ইউটিউবসহ বিভিন্ন ডিজিটাল মঞ্চে গানটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও গানটি নিয়ে চলছে প্রশংসা।

সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. সাবরিনা রুবিন অর্জন করেছেন একাধিক দেশি-বিদেশি সম্মাননা। এর মধ্যে রয়েছে ইয়াসির আরাফাত বিশ্ব শান্তি পুরস্কার, চেখভ ব্রোঞ্জ সম্মাননা, গুজরাট সাহিত্য একাডেমি সম্মাননা, প্রেরণামূলক রেখাচিত্র সম্মাননা এবং মুনির মেজিয়েদ সাহিত্য পুরস্কার। সাহিত্যচর্চার পাশাপাশি ড. সাবরিনা রুবিন বাংলাদেশের বহু সংগীতশিল্পীর সঙ্গে নিয়মিত কাজ করছেন। তার লেখা গানে শিল্পীরা খুঁজে পান আবেগ, ভাষার সৌন্দর্য এবং হৃদয়ছোঁয়া ভাবনার গভীরতা।

অন্যদিকে, উষা উথুপ ভারতীয় সংগীতজগতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তার স্বতন্ত্র কণ্ঠস্বর, প্রাণবন্ত পরিবেশনা ও অনন্য মঞ্চ উপস্থিতির মাধ্যমে কোটি শ্রোতার ভালোবাসা জয় করেছেন। ‘হরি ওম হরি’, ‘রাম্বা হো’, ‘কোই ইয়াহাঁ আহা’ এবং ‘ডার্লিং’-এর মতো জনপ্রিয় গান তাকে উপমহাদেশ ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি এনে দিয়েছে।

ভারতীয় সংগীতে অসামান্য অবদানের জন্য উষা উথুপ পেয়েছেন ভারতের সম্মানজনক পদ্মশ্রী এবং পদ্মভূষণ পুরস্কার।

এছাড়াও তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার-এ সেরা নারী নেপথ্য সংগীতশিল্পী হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন। সংগীতপ্রেমীদের প্রত্যাশা, এমন আন্তর্জাতিক মানের কাজ ভবিষ্যতে আরও হওয়া প্রয়োজন। বাংলা গান ও সাহিত্যনির্ভর সংগীত বিশ্বমঞ্চে আরও অবস্থান তৈরি শক্ত করবে বলে মনে করছেন সংগীতবোদ্ধারা।

Related Articles

Back to top button