ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে অবৈধ হাটবাজার, বাড়ছে দুর্ঘটনা

অনলাইন ডেস্ক: ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট ও সার্ভিস লাইনে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা হাটবাজারের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, হাইওয়ে পুলিশ ও কিছু অসাধু নেতা চাঁদা আদায়ের বিনিময়ে এই হাটবাজারের অনুমোদন দিচ্ছেন, ফলে মহাসড়ক সাধারণ যাত্রী ও যানবাহনের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
মহাসড়কের ওপর বসানো হাটবাজারের চাঁদার টাকার ভাগাভাগা নিয়ে নেতাদের মধ্যে প্রায়ই বিবাদ দেখা দিচ্ছে। গোড়াই অভার ব্রিজের কাছে ভাসমান দোকানগুলো থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন হচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, প্রশাসন এই অবৈধ বাজার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
মহাসড়কটির বিভিন্ন অংশে, যেমন দেওহাটা, ধেরুয়া, সোহাগপাড়া, গোড়াই, হাটুভাঙ্গা, ক্যাডেট কলেজ, বোডঘর, কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, নাটিয়াপাড়া ও এলেঙ্গা এলাকায় নিয়মিত হাটবাজার বসছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চন্দ্র থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত ৫০ কিমি মহাসড়কে গত ৫ বছরে এই অবৈধ বাজারের কারণে অন্তত ৪৫ জন নিহত এবং কয়েক শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল সারোয়ার বলেন, ‘কিছু চক্র পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ভাসমান দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছে। মাঝে মাঝে উচ্ছেদ অভিযান চালালেও দোকান পুনরায় বসানো হচ্ছে। তবে অচিরেই কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপবিভাগী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘মহাসড়কের উপর দোকানপাট তৈরি করে ব্যবসা করার সুযোগ নেই। হাইওয়ে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে যৌথভাবে উচ্ছেদ অভিযান করা হবে।’




