ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে আরও পাঁচ প্রার্থী হাইকোর্টে, আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ

অনলাইন ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাঁচটি আসনে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনে প্রার্থীদের করা পৃথক পাঁচটি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। আজ সোমবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আবেদনকারী পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে চারজন বিএনপির এবং একজন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি)। অভিযুক্ত আসনগুলো হলো—কুমিল্লা–১১, ময়মনসিংহ–২, চট্টগ্রাম–১৪, চাঁদপুর–৪ ও সিরাজগঞ্জ–৪।

আদালত সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ব্যালট পেপার, রেজাল্ট শিটসহ যাবতীয় নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণ করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাঁদপুর–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হারুনুর রশিদের পক্ষে ১১টি কেন্দ্রে কারচুপির অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম–১৪ আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুকের করা আবেদনের শুনানির জন্য আগামী ৬ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বিজয়ীদের প্রতি নোটিশ জারির আদেশ দিয়ে কুমিল্লা–১১ ও ময়মনসিংহ–২ আসনের আবেদনের পরবর্তী শুনানির তারিখ ৮ জুন নির্ধারণ করা হয়েছে। কুমিল্লা–১১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহেরের বিজয়কে চ্যালেঞ্জ করেছেন বিএনপির কামরুল হুদা। একইভাবে ময়মনসিংহ–২ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহর বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনেছেন বিএনপির মোতাহার হোসেন তালুকদার।

সিরাজগঞ্জ–৪ আসনে পোস্টাল ব্যালটে কারচুপির অভিযোগে বিএনপির এম আকবর আলীর আবেদনটি গ্রহণ করে আগামী ১০ জুন পরবর্তী শুনানির দিন রেখেছেন আদালত। এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. রফিকুল ইসলাম খান বিজয়ী হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত একই বেঞ্চে আরও ১৭টি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের পর ফলাফল নিয়ে আপত্তি থাকলে প্রার্থীরা হাইকোর্টে আবেদন করার সুযোগ পান।

Related Articles

Back to top button