চিত্রা নদীর ওপর ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো, ভোগান্তিতে দুই উপজেলার মানুষ

অনলাইন ডেস্ক: চিতলমারী উপজেলা ও হালিশহর-সংলগ্ন রায়গ্রাম এলাকায় মরা চিত্রা নদীর ওপর নির্মিত একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।
দুই পাড়ের মানুষের মধ্যে সামাজিক বন্ধন থাকলেও নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা না থাকায় বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এলাকাবাসী দ্রুত একটি স্থায়ী কালভার্ট বা সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বহু বছর ধরে এখানে একটি ব্রিজ ছিল। কয়েক বছর আগে খাল পুনঃখননের সময় সেটি ভেঙে যায়। পরে এলাকাবাসী উদ্যোগ নিয়ে বাঁশ দিয়ে অস্থায়ী একটি সাঁকো নির্মাণ করেন। বর্তমানে সেটিই দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম।
প্রতিদিন কৃষক, শ্রমজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সাঁকো ব্যবহার করেন। তবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে শিক্ষার্থীরা। বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি আরও পিচ্ছিল ও নড়বড়ে হয়ে পড়ে, ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
রায়গ্রামের শিক্ষক বিকাশ মণ্ডল জানান, হালিশহর খালিশপুর এলাকার ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন এই সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া করে। সামান্য অসাবধান হলেই বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা দ্রুত একটি পাকা সেতু চাই।
এলাকাবাসীর দাবি, একটি স্থায়ী সেতু নির্মিত হলে দুই উপজেলার মানুষের যোগাযোগ সহজ হবে। শিক্ষা, কৃষি ও স্থানীয় অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি জরুরি রোগী পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্ভোগ কমবে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, তিনি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত সেতু নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।



