অতীতের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ধানের শীষে ভোট চাইলেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক: অতীতে বিএনপির শাসনামলে অনিচ্ছাকৃত কিছু ভুল-ত্রুটির জন্য দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে অর্জনগুলোকে ভিত্তি করে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চান। এ লক্ষ্যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তিনি।

গতকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিটিভিতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তারেক রহমান বলেন, অতীতে জনগণের সমর্থনে বিএনপি একাধিকবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। দেশ পরিচালনায় কোনো ক্ষেত্রে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে থাকলে সেজন্য আমি দেশবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

তারেক রহমান বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে সমর্থন ও ভোট প্রয়োজন। দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের কাছে রাষ্ট্র ও সরকারকে দায়বদ্ধ রাখার কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের সমর্থন পেলে আগামী দিনে সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক। দুর্নীতি দমনে বিএনপি সরকার যতটা কঠোর হওয়া যায়, ইনশাল্লাহ ততটাই কঠোর হবে। দেশে পুনরায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে— এটি বিএনপির অঙ্গীকার।

তারেক রহমান

তিনি বলেন, বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস জনগণ। ফ্যাসিবাদ আমলে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির তথাকথিত নির্বাচনে জনগণকে পরিবারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে দেশবাসীর প্রতি তার আহ্বান— ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার জন্য।

ভাষণে তিনি বলেন, ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট ধানের শীষের জন্য হোক।’ গণতন্ত্রকামী ভাই-বোনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের প্রার্থীদের দায়িত্ব নিন, ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচিত এমপিরা জনগণের দায়িত্ব নেবে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করছে কিনা— তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব তিনি নিজে নেবেন।

তারেক রহমান বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিএনপির মূল মন্ত্র হবে মহানবীর মহান আদর্শ— ন্যায়পরায়ণতা। বক্তব্যের শেষাংশে তিনি ধানের শীষের বিজয় কামনা করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের বাংলাদেশে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দিন।

Related Articles

Back to top button